Tuesday, July 16, 2019

 যে ফুল কে বাঁচাতে অস্ত্র ধরি



বিশুদ্ধতায় শোধিত আমার সন্তান
অব্যক্ত অভিমানে, আনকোরা অভিনয়ে,
ভুলে ভরা ধংষাতালে নাচতে চায় প্রলয়লীলা।
গ্রাসিবে অরুণোদয় ; গ্রাসিবে আলো জগত বানাবে কালো, গর্জে উঠে স্লোগানে।
হটাৎ সিক্ত লিলুয়া বাতাসে, শুনতে পায় প্রকৃতির ফিসফিসানি, স্পষ্ট কোকিলের কহুতান। নেচে উঠে ত নু মন, গেয়ে যায় ভালবাসার গান।
বিশুদ্ধতায় শোধিত আমার সন্তান।।

মধু
 যখন বৈরী বাতাস বয়
                            ব্লগার

রাহুর অট্টহাসি
কেতুর কেতন
নক্ষত্রসমূহের রসিকতা
প্রকৃতির কিংকর্তব্যবিমূঢ়তায়
আমায় বরণ।
শত শোধন প্রক্রিয়া ব্যর্থ করে
অভেদ্য, ক্রোমান্বয়ে অবাধ্য।
আমি অসুর, অভ্যস্ত কসুর
আমি শুধুই ধ্বংসস্তুপ হিরোসিমা নাগাশাকি...
সেক্সফেরোমেন ফাঁদ

ভালবাসি ভালবাসি ভালবাসা কি ছোঁয়া যায়?
কেন তারে ধরিবার করি পণ অকারণ সে কি আদতে ধরা যায়?
নারী তোমার পারফিউমে মাখানো ঘ্রাণ আমার ইন্দ্রিয় নাড়া দেয়
তোমার আহলাদে মাখানো, ঘুম জড়ানো, ভাঁজ ভাঙ্গানো কন্ঠ আমার সিডাকশন বাড়ায়। আর নারী তোমার অবয়ব দৃষ্টি অংগে প্রবেশ করে সর্টসারকিট করে রাখে আড়াই সেকেন্ড।
আর এই তুমি - তোমার চলার ছন্দ, বলার আনন্দ, ঠোটের আগুপিছু সৃষ্ট শিষ, বুকে মৃদু কিল হাতের নিসপিস, চিত্রা হরিনী’র মত চমকে চমকে ওঠা চোখ, কানের লতি ছোঁয়া তোমার ফিসফিস। বড় বেশী আলোড়ন তোলে আমাতে।
ছুঁতে চায় তোমাকে।
এর পর তোমার চেনা গন্ধের মৌল পরিবর্তন
তিতকূটে অনেকটা হারপিকের মতন
দখল করে আমার চেতন, আমি বিভ্রান্তি ভুলে একাগ্র,
ছুটে চলি সর্বোস্ব গতিতে। পতঙ্গের ন্যায় আত্মহুতি বরণে।
বাকীটা তুমি জান কি পেয়েছি?


কক্সবেবয়